কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ১২:১৮ PM
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
কন্টেন্ট: পাতা
আইসিটি অধিদপ্তরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সারা দেশে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আইসিটি অবকাঠামো তৈরি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনবল নিয়োগ এবং দেশব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা। এছাড়াও, ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফাইবার অপটিক সংযোগ স্থাপনও তাদের পরিকল্পনার অংশ।
পরিকল্পনাসমূহ:
অবকাঠামো উন্নয়ন:দেশের সর্বনিম্ন স্তর পর্যন্ত উচ্চ-গতির ইলেকট্রনিক সংযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদ্যমান অবকাঠামো কার্যকরভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা।
জনবল নিয়োগ:নতুন তৈরি হওয়া অফিসগুলোতে, বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে, জনবল নিয়োগের মাধ্যমে কার্যক্রম জোরদার করা।
প্রশিক্ষণ:ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের জনগণকে কম্পিউটারে দক্ষ করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জোরদার করা।
ডিজিটাল সেবা:তৃণমূল পর্যায়ে জনগণকে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার করা।
সংযোগ স্থাপন:সাবমেরিন কেবলের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশের সাথে ফাইবার অপটিক সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডেটা অবকাঠামো শক্তিশালী করা।
সাইবার নিরাপত্তা:ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা।
নারী ক্ষমতায়ন:প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন:মাধ্যমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে “ ডিজিটাল ল্যাব” এবং “ডিজিটাল ক্লাসরুম” স্থাপন করা।
ডিজিটাল এডুটেইনমেন্ট সেন্টার:বিদ্যমান মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সগুলোতে ডিজিটাল এডুটেইনমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা।